টেলিফোন তাদের গ্রাহককে দিতছে এত এত সুবিধা তবু কমছে টেলিফোন এর গ্রাহক সংখ্যা । তেমনি একজন ব্যাক্তি হলেন রাজধানীতে বসবাস রত বাসিন্দা জাকিয়া ঢাকায় বাসায় বাসায় তিন দশক থেকে টেলিফোন সংযোগ দেয় তিনি । এখনো সংযোগ আছে কিন্তু খুবই সীমিত এবং ব্যবহারও অনেক কম ।

জাকিয়া বলেন,‘মায়ের সঙ্গে কথা বললে বা পরিচিত কারও বাসায় টেলিফোন থাকলে হয়তো কল করা হয় । তবে সেটাও খুবই কম। বলতে গেলে টেলিফোনটি পড়েই থাকে।’ তিনি আরও বলেন, ছোটবেলায় দেখতাম, প্রায়ই সংযোগ অচল থাকত। অভিযোগ জানালেও কাজ হতো না। মানুষ হয়তো প্রযুক্তির পরিবর্তনের পাশাপাশি বিরক্তির কারণেও অনেক মানুষ আজ টেলিফোন সংযোগ রাখেনি ।

বিটিসিএল (BTCL) ২০১৯ সালের অক্টোবর এর পরে থেকে তাদের সকল প্রকার টেলিসেবা অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকদের সব সমস্যা এবং অভিযোগ নেওয়া শুরু করেছে । অ্যাপের মাধ্যেমে অভিযোগ জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায় বলে দাবি করেছেন বিটিসিএলের কর্মকর্তারা । অনেক টেলিফোন ব্যবহার করি গ্রাহকেরাও বলছেন, তাঁরা টেলিসেবা অ্যাপ আসার পড়ে থেকে অনেক অংশেই ভালো সেবা পেয়েছেন ।

আরও পড়ুন

রংমিস্ত্রীর প্রেমে পড়ে গেলেন সারিকা সাবরিন

আবারও প্রকৃত বন্ধুর পরিচয় দিলেন সালমান খান

জন্মদিনের পোশাক নিয়ে মুখ খুললেন পরীমণি

যুক্তরাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হলোনা মিজানুর রহমান আজহারীকে

এই টেলি যোগাযোগ আপসটি মূলত অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক একটা অ্যাপস যা ফোনের অ্যাপ স্টোর গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপটির মূল্যায়ন নম্বর বা অ্যাপটির রেটিং ও অনেক , ৫-এর মধ্যে ৪.২ হিসাবে অনেক ভালো একটা পজিশনে আছে । অ্যাপটির রিভিউ সেন্টারে গ্রাহকদের ইতিবাচক মূল্যায়ন বা পজিটিভ রিভিউ এর সংখ্যায় বেশি । এ ছাড়া গ্রাহকের যে কোনো অভিযোগ জানানোর জন্য রয়েছে তাদের কল সেন্টারও ।

অবশ্য এইসব সেবা বাড়ানোর পরেও গ্রাহক বাড়াতে কোনো কাজেই লাগেনি উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারেনি । বেশির ভাগ মানুষের আগ্রহও বাড়াতে পারেনি তাদের এই সেবা সমূহ । তার মূল কারণ হচ্ছে, তত দিনে হাতে হাতে মুঠোফোন এসে গেছে । বাংলাদেশ টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (BTRC) হিসাবে, দেশে মুঠোফোন গ্রাহক দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ কোটিরও বেশি । ১৯৯৩ সালে দেশে মোবাইল ফোন সেবা চালু হয় । বিপরীতে কমতে থাকে টেলিফোন সেবা । এখন যাঁদের বাসায় টেলিফোন রয়েছে, তাঁরাও কথা বলেন মূলত মুঠোফোনে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.