অপু বিশ্বাসের রেট মাত্র ১১ হাজার টাকা! কি শুনে অবাক হয়েছেন নাহ? হ্যাঁ অবাক হওয়ার মতই কথা চলুন জেনে আসি অপু বিশ্বাসের রেট মাত্র ১১ হাজার টাকা হওয়ার কারণ ।

অপু বিশ্বাসের ছেলে আব্রাম খান জয় এবং তার নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চালু করেছের অপু বিশ্বাস । প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন ‘অপু-জয় প্রোডাকশন হাউজ’ । আর সেই ব্যানারে মাঝে ‘‘অভিমান’’ নামে একটি ছবির নামও লিপিবদ্ধ করেছেন সেই খানে । এ জন্যই সম্প্রতি প্রযোজক সমিতির সদস্য পদ পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস ।

আর তার থেকেই বড়ো ধাক্কা খেয়েছে যেখানে তার স্বামীর নামের জায়গায় শাকিব খানের নাম লিখেছেন আপু বিশ্বাস । পরে যাচাই-বাছাই করতে আটকে যায় অপু বিশ্বাসের আবেদন পত্র । পরে আবার তথ্য সংশোধন করে জামা দেওয়ার পর সদস্য পদ পান তিনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে ।

আরও পড়ুন

দীর্ঘ নয় বছর পর বাবা খুঁজে পেলেন তার ছেলেকে

নববধূকে ১.৮ লাখে বিক্রি করে দিলেন স্বামী!

পুলিশ কনস্টেবলদের জীবন সংগ্রাম

স্ত্রীর প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা করলেন তার স্বামী

এ সম্পর্কে প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম জানান,
সাধারণত কাউকে চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে নিবন্ধন করতে হলে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা ফি দিতে হয় । কিন্তু কোনো সে যদি কোনো পুরনো প্রযোজকের স্বামী বা স্ত্রী কিংবা সন্তান হয়ে থাকেন তাহলে মাত্র ১১ হাজার টাকার মাধ্যমেই সদস্যপদ পাওয়া যায় ।

শামসুল আলম মনে করেন


১১ হাজার টাকার এই সুযোগটাই নিতে চিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস । মাঝে কিছুটা সময় প্রযোজক সমিতির দায়িত্বে একজন প্রশাসক ছিলেন তিনি নিজে । ওই সময় এর মাঝেই অপু বিশ্বাস সদস্য পদ চেয়ে আবেদন করেন । অনুমোদন পাওয়ার আগেই সেই প্রশাসন বিদায় নেন । তার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের দায়িত্ব নেয় । আর এই ভাবেই অপু বিশ্বাসের আবেদন ফাইলটি আমরা আমাদের হাতে পাই।

তার পর আমরা দেখতে পেলাম, আবেদন পত্রে নিজেকে শাকিব খানের স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করেছেন অপু । সেখানে অপু লিখেছিলেন যে , ‘আমাকে প্রযোজকের স্ত্রী হিসেবে আমার সুবিধা বিবেচনায় সদস্যপদ দেওয়া হোক সাথে সকল প্রকার সুবিধাও দেওয়া হোক।’ তিনি বলেন, এরপর আমরা সবাই অপুর সত্য গোপন করার বিষয়টি মিটিংয়ে আলোচনা করেছি । সবাই এক বাক্যে বলেছেন, ১ লাখ ৩ হাজার টাকার না দিয়ে শুধু মাত্র ১১ হাজার টাকায় সদস্য পদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য এমনটা করেছেন তিনি ।

তার জন্য আবেদনের ফাইলটি স্থগিত করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আবেদনের সব তথ্য সঠিক নয় । সকল তথ্য সংশোধন করে নতুন ভাবে আবেদন করলে আমরা অবশ্যই সদস্য পদ দেব । পরের বার তিনি স্বামীর নামের জায়গা থেকে শাকিব খানের নাম বাদ দিয়ে আবেদন করেন, আমরাও সদস্য পদ দিয়ে দেই । তবে তাকে পুরো ১ লাখ ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.